পাকা কলার তুলনায় কাঁচা কলা স্বাদেগন্ধে সম্পূর্ণ আলাদা । গুনের দিক দিয়েও কিন্তু পাল্লা ভারী কাঁচা কলার । ভিটামিন ও খনিজ ভর্তি এই ফল । কাঁচকলায় আছে ভিটামিন বি-৬ , ভিটামিন সি , পটাশিয়াম -সহ নানা উপকারী উপাদান । এর রেজিস্টেণ্ট স্টার্চ ফাইবারের মতো কার্যকর । কাঁচকলা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং মেটাবলিক সুস্বাস্থ্য বজায় ।

কাঁচকলায় ফাইবার আছে, যা খাবার হজম করতে সাহায্য করে । দূর করে কোষ্ঠকাঠিন্য । এর প্রিবায়োটিকের গুনে দূর হয় বদহজমের সমস্যা । এর লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স নিয়ন্ত্রণে রাখে রক্তে শর্করার মাত্রা । দীর্ঘ ক্ষণ পেটে থাকে বলে ঘন ঘন খিদে পাওয়ার প্রবণতা কমে কাঁচকলা খেলে । তাই রোগা হতে চাইলে কাঁচকলা খেতে ভুলবেন না । মেটাবলিক ফাংশন বাড়ায় কাঁচকলার খাদ্যগুন । তাই ওজন কমাতে খুবই উপকারী ।

কাঁচকলার পটাশিয়াম ও ফাইবার নিয়ন্ত্রণে রাখে ব্লাড প্রেশার ও কোলেস্টেরল । রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায় । সুস্থ থাকে হার্ট । এর ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হাড়ের রোগ দূরে রাখে । বজায় রাখে হাড়ের ঘনত্ব ।

ক্যাটেকোলামাইন এবং ডোপামাইনের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেণ্টস আছে কাঁচকলায় । এর গুনে শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস , ইনফ্লেম্যাশন কমে । ক্রনিক অসুখ কমিয়ে সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখে কাঁচকলা । উজ্জ্বল রাখে ত্বকের বর্ণ ।