Fish to Avoid in Monsoon in Bengali : বর্ষায় কি কি মাছ খাওয়া উচিৎ জানেন কি ?

ভরা বর্ষা , বৃষ্টি যেন আর পিছু ছাড়ে না । এই বৃষ্টিতে পেটের রোগ হয় মারাত্মক । তাই খাওয়া দাওয়া একটু বুঝেই করতে হয় ।

মাছে ভাতে বাঙালি । সারা বছর ,প্রতিদিন মাছ পাতে না পড়লে খাওয়া পূর্ণ হয় না । মাছের পুষ্টিগুনও খুব বেশি । সারা বছর যেমন কয়েকটি মাছ খাওয়া যায় । তাতে থাকবে রুই -কাতলা । তবে এমন কয়েকটি মাছ রয়েছে , যা উপকারী হলেও ,কাল বিশেষ হজমে সমস্যা করে ।

শিশু থেকে বৃদ্ধ , সব বয়সের মানুষের জন্য অত্যন্ত পুষ্টিকর এই সব মাছ । তাই এবার পাতে রাখুন এই মাছগুলি ।শারীরিক অসুস্থতায় জিওল মাছের অপরিসীম গুন । শরীরের রক্তাল্পতা দূর করে । সুস্থ রাখে । শোল , মাগুর , কই , শিঙি সহ বিভিন্ন জিওল মাছ এবার খাদ্য তালিকায় রাখুন ।

শিঙি মাছের আয়রন ও ক্যালসিয়ামের মতো খনিজ উপাদানের পরিমাণ বেশি । তাই প্রাচীনকাল থেকেই রক্তশূন্যতার রোগীদের শিঙি মাছ খেতে বলা হয় । এটি হাড়ের ঘনত্ব বাড়ায় । ১০০ গ্রাম শিঙি মাছে ২২ .৮ গ্রাম পপ্রোটিন , ৬৭০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ২ .৩ মিলিগ্রাম আয়রন আছে ।

জিওল মাছের মধ্যে অন্যতম হল কই মাছ । অন্যান্য জিওল মাছের চেয়ে কই মাছ অনেকেইটাই সহজলভ্য । কই মাছে আছে ১০ টি প্রয়োজনীয় আম্যাইনো এসিড । যা শিশুদের বিকাশে বিশেষ ভূমিকা রাখে । শিশু ছাড়াও যেকোনো মানুষের দেহের ক্ষয়পূরণ ও বৃদ্ধিসাধনে গুরুতপূর্ণ ভূমিকা রাখে এই ১০ টি অ্যামাইনো অ্যাসিড ।

খেতে সুস্বাদু শোল মাছ । এই মাছ মানবদেহের হাড় ও মাংসপেশি গঠনে সাহায্য করে , রুচিও বাড়ায় । ১০০ শোল মাছে আছে ৯৪ ক্যালরি , ১৬ . ২ প্রায় প্রোটিন , ১৪০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম , ০.৫ মিলিগ্রাম আয়রন , ৯৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম এবং ১ হাজার ৮০ মাইক্রোগ্রাম জিঙ্ক।

কই , শিঙি , মাগুর ,সোল প্রভৃতি জিওল মাছের পুষ্টিগুণ অপরিসীম । মাছগুলিতে ভিটামিন উপাদানের পাশাপাশি খনিজ উপাদান পাওয়া যায় । ফলে এই মাছগুলি মানবদেহের শারীরিক বিকাশে সহায়তা করে । তবে ডাক্তারের মতে বর্ষাকালে জিওল মাছ নির্দিষ্ট পরিমাণে খাওয়া ভাল । তা হলে হজমের সমস্যা হতে পারে ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top