বেড়াতে যাচ্ছেন ? ট্রেন বা গাড়িতে মুখ চালানোর জন্য রাখতে পারেন শুকনো ডুমুর । কম ক্যালরির হালকা মিষ্টি ফলটি দ্রুত শরীরে শক্তি জোগাবে ।

ফলের দোকানে পাওয়া যায় । দেখতে কিছুটা গোল গোল চ্যাপ্তা। পরিচিত আঞ্জির নামেই । তবে এটা হল আসলে শুকনো ডুমুর । কিছুটা মুচমুচে হালকা মিষ্টি স্বাদের শুকনো ডুমুর ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এর পুষ্টিগুণের জন্য । এই ফলটি আয়রন , ম্যাগনেসিয়াম , কপার , ফাইবার ও বহুবিধ ভিটামিনে পরিপূর্ণ । অফিসে বসেই হোক বা দুরপাল্লার ট্রেনে , অল্প খিদের মুখে শুকনো ডুমুরে কামড় দিলে কি উপকার মিলবে জানেন কি ?

১ . শুকনো ডুমুরে থাকে প্রচুর ফাইবার । ফাইবারে সমৃদ্ধ খাবার বিপাকহার বৃদ্ধিতে ও শরীর ভাল রাখতে সাহায্য করে । পাশাপাশি , শুকনো ডুমুর অল্প খেলে পেট ভরে যায় । চট করে খিদে পায় না । শরীরে ক্যালরির মাত্রা নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে এটি ।

২ . ডুমুরে রয়েছে অ্যাবসেসিক অ্যাসিড , ম্যালিক অ্যাসিড , ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড – যা রক্তে শর্করার ভারসাম্য নিয়ন্ত্রন করে ।

৩ . শরীরে দু’ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে – ভাল ও খারাপ । ভাল ব্যাকটেরিয়া পুষ্টি শোষণ ও হজমে সাহায্য করে । প্রোবায়োটিক ভাল ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে । শুকনো ডুমুর প্রোবায়োটিকের অন্যতম ।

৪ . শুকনো ডুমুরে থাকা পটাশিয়াম ,ম্যাগনেশিয়াম ও আয়রন শরীরে প্রয়োজনীয় খনিজের ঘাটতি পূরণ করে । কম ক্যালরির এই ফল পুষ্টিগুণে ভরপুর । ফলে যারা মেদ ঝরাতে চাইছেন , তাঁরা খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন ফলটি ।

৫ . অত্যধিক পরিশ্রমে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়লে দ্রুত শক্তি জোগাতে পারে শুকনো ডুমুর । এতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে । যা শরীরে তরলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে । পেশি মজবুত রাখতেও শুকনো ডুমুর কার্যকর ।