Bone Health Care Tips;বয়স বাড়লে চুলে যেমন পাক ধরে, তেমনই হাড়ে “ঘুণ” ধরে । আক্ষরিক ভাবে ঘুণ না ধরলেও,৪০ বছর বয়সেের পর থেকে হাড়ের ক্ষয় শুরু। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধ করতে হবে। কোনও ব্যথাকেই অবহেলা করা যাবে না। আর কি করতে হবে বাঁচতে গেলে ?

চুলে রং লাগানোর মতো চটজলদি সমাধান এ ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। হাড়ের প্রধান উপাদান ক্যালশিয়াম ও ফসফরাস । এ ছাড়া আছে নানা ধরনের খনিজ। ৪০- এর পরে তাই হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে চাই সতর্কতা। জেনে নিন হাড় ভাল রাখার উপায়।
ঋতুবন্ধের পর মহিলাদের পোস্ট মেনোপজাল অষ্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বেশি থাকে। তবে এ কথা ঠিক যে, বেশি বয়সে হাড়ের ক্যলসিয়াম কমে গিয়ে হাড়ে ঘুণ ধরার মতো সমস্যা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলেরই হতে পারে। শরীরে পর্যাপ্ত জলের জোগান না থাকলে হাড়ের সন্ধিগুলিতে থাকা তরলের মাত্রা কমে যায়। ফলে হাড় ভঙ্গুর হতে শুরু করে। তাই এই সময়ে বেশি করে জল খেতে হবে।

অতিরিক্ত ধূমপান করলে পুরুষদের টেস্টোস্টেরোন হরমোনের কার্যক্ষমতা কমে গিয়ে হাড় পলকা হতে শুরু করে, নিয়ম করে মদ্যপান করলে শরীরের নতুন হাড় তৈরি পদ্ধতি ব্যাহত হয় বলে হাড় ভঙ্গুর হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই ধূমপান আর ম্যদপান এই বয়সে এড়িয়ে চলাই ভাল।

ক্যালশিয়ামে সমৃদ্ধ খাবারের উপর জোর দেওয়া উছিত।দুধ, দই, ছানা খাওয়া সবচেয়ে ভাল, যাঁদের মিল্ক অ্যালার্জি আছে তাদের সয়াবিনের দুধ, টোফু খাওয়া দরকার। এ ছাড়া ক্যালশিয়াম পাবেন যে কোনও সবুজ শাক সব্জিতেও। এ ছাড়া মাছ, চিকেন, ডিমও খাওয়া দরকার। ৩ মাসে একবার ভিটামিন ডি ও ক্যালশিয়াম পরীক্ষা করান। ডাক্তারকে রিপোর্ট দেখিয়ে প্রয়োজনে সাপ্লিমেণ্ট নিন। ভিটামিন ডি কমে গেলে শরীরে ক্যালশিয়াম ধরে রাখতে পারে না। ফলে দুটোই জরুরি।

সব সময়ে সচল রাখতে হবে। এক জায়গায় দীর্ঘ ক্ষণ বসে কাজ করা যাবে না।ঘণ্টাখানেক পর পর চেয়ার থেকে উঠে ঘরাফেরা করুন । বয়স বাড়লে অনেকেই শরীরচর্চা এড়িয়ে চলেন , ভারি শরীরচর্চা না করলেও হালকা ব্যায়াম করুন নিয়মিত । সকালে বা বিকেলে হাঁটাহাঁটি করুন , হাঁটুর ব্যায়াম করুন । Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারন তথ্যের জন্য , তাই বিস্তারিত জানতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অবশই নেবেন ।