প্রচুর উপকারিতায় খনি রসুন খেতে হবে নির্দিষ্ট পরিমাণে এবং দিনের নির্দিষ্ট সময়ে । বলছেন পুষ্টিবিদ লভনীত বাত্রা । তাহলে পুষ্টিগুণ মিলবে অনেক গুন বেশি । প্রতিদিন দুপুরের খাওয়ার আগে খেতে হবে ৩ টে করে রসুনের কোয়া । তার পর এর উপকারিতায় আমূল বদলে যাবে আপনার জীবন ।

রোজ লাঞ্চের আগে ৩ টে করে রসুনকোয়া খেলে হার্টের অসুখের প্রবণতা কম থাকে । রসুনের সালফার ব্লাড প্রেশার এবং কোলেস্টেরল কমায় । হার্ট মজবুত ও সুস্থ রাখে । রসুনের অ্যান্টিঅক্সিডেণ্ট ক্যানসারের আশঙ্কা রোধ করে । রসুনের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়া গুন সংক্রমণ রোধ করে । রোগ প্রতিরোধ শক্তি অটুট থাকে । সর্দিকাশি সম্ভবনা কমে থাকে । রসুন খুবই উপকারী । এর অ্যান্টি ইনফ্লেম্যাটরি বিশিষ্ট গাঁটের ব্যথা কমায় । গাঁটের ব্যথা কমিয়ে সুস্থতা বজায় রাখে রসুন । হজমে সাহায্য করে এমন এনজাইমের ক্ষরণ হয় রসুন খেলে । সার্বিক ভাবে পরিপাকতন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখে রসুনের কোয়া ।

হাড়ের সুস্থতা বজায় রাখে রসুনের গুনাগুন । দূর করে হাড়ের রোগ । অস্তিওপরসিস জাতীয় রোগ নিয়ন্ত্রন করে রসুনের খাদ্যগুন ।