Health Benefits : কলমি শাকের কত গুন জানেন

এই শাক নিয়মিত খেলে হজমশক্তি বৃদ্ধি পায় । এই শাক কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা দূর করে এবং বসন্ত রোগের প্রতিষেধক হিসাবে কাজ করে । কোষ্ঠকাঠিন্য হলে এই শাক তুলে বেটে এক চামচ রস করে আখের গুড়ের সঙ্গে মিশিয়ে শরবত বানিয়ে দু’বেলা খেলে উপকার পাওয়া যায় । তবে এই উপকার পেতে অন্তত এক সপ্তাহ খাওয়া দরকার ।

সব ধরনের শাকের মধ্যে সবথেকে উপকারী হল কলমি শাক । এতে রয়েছে ভিটামিন সি , ভিটামিন এ এবং বিশেষ কিছু খনিজ ।কলমি শাক লিভারের জন্য অত্যন্ত উপকারী । আয়ুর্বেদে এই শাককে জন্ডিসের মহা ওষুধ হিসাবে ব্যবহার করা হয় । গবেষণায় দেখা গিয়েছে , এই শাকে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা লিভার থেকে খতিকারক পদার্থ বার করে দিতে সাহায্য করে ।

কলমি শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন । এছাড়া এই শাক হল ভিটামিন সি -আর ভাণ্ডার । এই দুই উপাদান শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেণ্ট হিসাবে কজ করে । সেই করণেই হৃদরোগের ফাঁদ এড়ানো যায় ।

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভাল রাখতে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসজনিত একাধিক রোগ প্রতিরোধ করা যায় । একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত , কলমি শাক ইম্যিনিটি বাড়ায় । চোখ ভাল রাখতে চাইলে কলমি শাকের চেয়ে ভাল জিনিস আর নেই । এই শাক ভিটামিন এ -এর খনি যা দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখে ।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন , কলমি শাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম থাকে । তাই এই শাক হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে । ছোটবেলা থেকেই শিশুদের কলমি শাক খাওয়ালে তাদের হাড় শক্ত হয় । হাড়ের বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমে । কলমি শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি । এটি অ্যান্টিঅক্সিডেণ্ট হিসাবেও কজ করে এবং শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে । এছাড়া পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রন থাকার কারণে এই শাক অ্যানিমিয়ার রোগীদের জন্য দারুণ উপকারী ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top