কম পরিমাণে জল পান করার কারণে শরীরের মধ্যে পাথর তৈরি হওয়ার সমস্যা বেড়েই ছলেছে।আর শরীরের মধ্যে পাথর হলে তা শরীর থেকে বের করতে আস্ত্রপাচার করতেই হয়। কিন্তু অপারেশন না করেও এই সমস্যা দূর করা সম্ভব। কিন্তু তা কিভাবে সম্ভব? আমাদের চারপাশে প্রচুর পরিমাণে ভেসজ উদ্ভিদ পাওয়া যায় , যা সেবন করলে আর অস্ত্রপাচারের মতও ঝক্কি পোহাতে হয় না। পাথরের সমস্যা সমাধানে বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে পাথরকুছি পাথরকুচি পাতার । এমন্তাই বর্ণিত রয়েছে আয়ুর্বেদসাস্ত্রের।

ডা. প্রভাত কুমার জানান, পাথরকুচিকে আয়ুর্বেদ চিকিৎসাশাস্ত্রে পাষাণ ভেদ নামে ডাকা হয়। আর পাষাণ ভেদ কথাতির কথাটির অর্থ হল – এটি পাথরও ভেদ করতে সক্ষম।
পাথরকুচি পাতা সহজেই ০৫ মিলি থেকে ২৫ মিলি পর্যন্ত পাথর কে গলিয়ে শরীর থেকে বের করে দিতে পারে। আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল , পাথরকুচি পাতার স্বাদ আল্ম বা টক প্রকৃতির যা পাকস্থলি থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে দেয়।

কীভাবে ব্যবহার করবেন ? পাথরকুচির ৪-৫ টি পাতা ভাল করে জলে ধুয়ে পরিস্কার করে নিতে হবে । এরপর সেই পাতা গুলিকে একগ্লাস জলে ভাল করে ফুটিয়ে তা সকালে ও সন্ধায় পান করলে দারুন উপকার পাওা যায়।
১২ বছরের কম বয়সি শিশুরা যদি পাথরের সমস্যায় ভগে, তাহলে সকালে এবং সন্ধায় তাদের ২চামচ করে পাথরকুচি পাতার রস খাওয়ানো উচিত। এতে সমস্যা দূর হবে।