সবজি হিসেবে ঢ্যাঁড়শ আমরা সবসময় খেয়ে থাকি আর এটি খুব জনপ্রিয় ও বটে । কিন্তু এই বর্তমান সময়ে পুষ্টিবিদদের মতে , ঢ্যাঁড়সের থেকেও বেশি পুষ্টিকর নাকি এর জল । তাই এই নিয়ে চলছে জোরদার রিসার্চ । রিসার্চে বলছে , খালিপেটে ঢ্যাঁড়সের জলপান করলে নাকি রক্তে শর্করার পরিমান কমথাকে । তাই টাইপ – ২ ডায়াবেটিসের মোকাবিলা করতে এর জুরি মেলা ভার ।

ঢ্যাঁড়সের মধ্যে আছে ফাইবার , যা অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে , ফলে কম খিদে পায় । আর কম খেলে ওজন নিয়ন্ত্রনে থাকবে তা ত জানা কথা । ঢ্যাঁড়সের নির্যাস বা মিউকিলাজিনাস প্রাকৃতিক ভাবে ক্ষারীয় । যে কারনে এই পানীয় গলায় ঢাললে হজম খমতা বারবে তারাতারি ।ফলসরুপ বন্ধ হবে গ্যাস – অ্যাসিডিটি ।

বিশেষজ্ঞদের মতে ঢ্যাঁড়সের জল সাধারণত সকলের জন্যই নিরাপদ , তবে ঢ্যাঁড়সে যাদের অ্যালার্জি আছে তাদের এই জল পান নাকরাই ভাল । ঢ্যাঁড়স একটি উচ্ছ- ফ্রূক্টোজ সম্পন্ন সবজি , তাই সাবধান কারন পরিমিত হারে ফ্রূক্টোজ খাওয়া নিরাপদ হলেও বেশি পরিমানে খেলে ক্ষতি হতে পারে।

কিডনি স্টোনের সমস্যা আছে যাদের তাদের ঢ্যাঁড়সের জল পান করা একেবারেই উচিৎ নয় । কারন এতে আছে অক্সালেট , যা কিডনিতে পাথর তৈরিতে সাহায্য করে । পরিমান মত ঢ্যাঁড়স পাতলা করে কেটে সারারাত জলে ভিজিয়ে রেখে দিন এবং পরের দিন সকালে খালি পেটে তা পান করুন ।

ঢ্যাঁড়স জল পান করুন আর তার পাশাপাশি তরকারি করে ও খান , সুফল পাবেন হাতেনাতে ।